EN
আরও পড়ুন
রাজনীতি
পূর্ব তিমুরের মতো খ্রিষ্টান দেশ বানানোর চক্রান্ত
রাজনীতি
ইকরা মানে কি? প্রথম শব্দেই শয়তানী অনুবাদ
JadeWits Technologies Limited
রাজনীতি

শয়তানবাদী পরজীবী মানসিকতা

এপস্টিন ক্লাব ও প্রথম আলো–ডেইলি স্টার পয়গম্বরীয় মানদণ্ড

এপস্টিন ফাইলসের ইমেইলগুলো নিয়ে সারা দুনিয়ায় তোলপাড় চলছে। চাকরি বা পদ হারাচ্ছেন রাজা-মহারাজার মতো মানুষেরা। ভেঙে পড়ছে ডিপ স্টেট। এপস্টিন ইমেইলগুলো যেন ডিপ স্টেটের অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণ, যেটাকে এতদিন মূলধারা গণমাধ্যম ও ক্ষমতাশালীরা চক্রান্ত তত্ত্ব তকমা দিয়ে এসেছে। মহা সংকটে ইহুদিবাদীরা। তারা যে সকল শয়তানবাদের কেন্দ্রে, এপস্টিন ইমেইলগুলো তারই প্রমাণ।

২০২০ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছিলেন, “আমেরিকার সামনে এক বিশাল বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশটিকে ‘পাগলাটে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের’ সংস্কৃতি থেকে উল্টোপথে ফেরানো। তার মতে, এসব ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’ আমেরিকার বিভক্তিকে আরও মারাত্মক করে তুলেছে।”

নির্বোধেরা যখন খুঁজছে কার কার নাম এপস্টিন ইমেইলগুলোতে আছে বা গুনছে কার নাম কতবার আছে, তখনই মনোবিদ্যায় উৎসাহীরা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি চিত্র তুলে ধরেছেন। সেটি একটি বিস্ময়কর বিষয়। এপস্টিনের নেটওয়ার্কে ছিল ব্রিটিশ রাজপরিবার থেকে ইউরোপের রাজপরিবারের সদস্যরা, রয়েছে মার্কিন প্রভাবশালী প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন থেকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইয়াহুদ বারাক, বিল গেটস এবং টেক জায়ান্টরা থেকে বিশ্ব বিলিয়নিয়াররা, হলিউড সুপারস্টার থেকে বিখ্যাত বুদ্ধিজীবীরা।

মনোবিদ্যায় উৎসাহীরা একটি বিষয় দেখে খুব অবাক হয়েছেন, সেটি হলো বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানিত, ধনবান এবং উঁচুতলার এলিট সমাজের ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের একটি সাধারণ স্কুল শিক্ষক থেকে ধড়িবাজি পনজি স্কিম ব্যবসায়ী এবং পরবর্তীতে অর্থ সংক্রান্ত পরামর্শক জেফ্রি এপস্টিনের সাথে ইমেইল যোগাযোগের আচরণ বা অ্যাটিচ্যুড দেখে।

ইমেইলগুলোতে উক্ত ক্ষমতাবান ব্যক্তিরা সবাই যেন এপস্টিনের মন জয় করা বা তাকে সমীহ করা বা তাকে তুষ্ট করতে চাইছেন—এমন মনোভাব ফুটে উঠেছে। ইমেইলগুলো যেন প্রমাণ করছে এপস্টিন এমন একটি উচ্চতর ক্লাব—বাকি সবাই যেন সেই ক্লাবের উচ্চতায় উঠতে চাইছে এবং তার জন্য এপস্টিনের প্রতি সবার মনোভাব নিচ থেকে হাত জোড় করে উপরে তাকানো এবং এপস্টিনের কৃপা ভিক্ষা করা।

এটিকেই আমি বলতে চাই শয়তানবাদী পরজীবী বা প্যারাসিটিক মানসিকতা। যত ধন, সম্পত্তি, সম্মান থাক বা যত উচ্চ সমাজেরই হোক, নিজের অন্তর শূন্য হলে বা নিজ অন্তর বিচারবোধে অক্ষম হলে সে বড় কিছুর সাথে যুক্ত হওয়ার তাড়নায় ভুগতে থাকে। এপস্টিনের নেটওয়ার্কটি ছিল সেই বৃহৎ পয়গম্বরীয় বা প্রফেটিক সংযোগ।

বাংলাদেশেও প্রথম আলো–ডেইলি স্টার গোষ্ঠী, তাদের দেশি-বিদেশি এলিট বুদ্ধিজীবী চক্র মিলে একটি পয়গম্বরীয় বা প্রফেটিক সংযোগ তৈরি করেছে। জামাতি, বিএনপি, আওয়ামী, মোল্লা মিলিটারি সবাই যেন একে অপরকে বিচার করছে প্রথম আলো–ডেইলি স্টার পয়গম্বরীয় মানদণ্ডে। এভাবেই পুরো দেশটি শয়তানবাদের খপ্পরে পড়েছে।              

© সিরাজুল হোসেন

JadeWits Technologies Limited
সর্বশেষপঠিতনির্বাচিত

আমরা আমাদের সেবা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করি। আমাদের কুকি নীতির শর্তাবলী জানার জন্য অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন। কুকি ব্যবহারের জন্য আপনি সম্মত হলে, 'সম্মতি দিন' বাটনে ক্লিক করুন।